কেন এমন হয়?
পেশি ঢিলে হয়ে যাওয়া: ঘুমের সময় আমাদের শরীরের পাশাপাশি মুখের এবং গলার পেশিগুলো পুরোপুরি রিল্যাক্স হয়ে যায়। এই শিথিলতার কারণে মুখ কিছুটা খোলা থাকতে পারে, ফলে লালা ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায় এবং তা বাইরে বেরিয়ে আসে।
পাশ ফিরে ঘুমানো: আপনি যদি উপুড় হয়ে বা পাশ ফিরে ঘুমান, তবে অভিকর্ষ বল বা গ্র্যাভিটির টানে লালা সহজেই মুখের একপাশ দিয়ে বেরিয়ে আসে। চিত হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করলে এটি সাধারণত কমে যায়।
নাক বন্ধ থাকা: যাদের নাক বন্ধ থাকে (ঠান্ডা, সাইনাস বা অ্যালার্জির কারণে), তারা বাধ্য হয়ে মুখ দিয়ে শ্বাস নেন। এতে মুখের লালা বেশি জমে যায় এবং বাইরে বের হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
গভীর ঘুম: আপনি যখন খুব গভীর ঘুমে (REM Sleep) থাকেন, তখন শরীর সবচেয়ে বেশি রিল্যাক্স থাকে। এই অবস্থায় লালা পড়া একটি সাধারণ স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া।
মুখের ভেতরের সমস্যা: দাঁত বা মাড়ির ইনফেকশন অথবা পাকস্থলীর সমস্যার কারণে অতিরিক্ত লালা তৈরি (Hypersalivation) হতে পারে।
কখন সতর্ক হবেন?
সাধারণত এটি ভয়ের কিছু না হলেও, যদি দেখেন হঠাৎ করে খুব বেশি লালা পড়ছে এবং এর সাথে মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা শরীরের কোনো পাশে দুর্বলতা অনুভব করছেন, তবে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এটি কোনো স্নায়বিক সমস্যার (Neurological issue) সংকেত হতে পারে।
All images in this article are AI-generated visuals.

