আমরা অনেকেই মাসের শুরুতে বেতন হাতে পেয়ে বেশ স্বস্তি অনুভব করি, কিন্তু কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই খরচ বেড়ে যায় আর মাসের মাঝামাঝি থেকেই টাকার টান পড়ে। শেষে গিয়ে এমন অবস্থা হয় যে ধার করা ছাড়া উপায় থাকে না। যদি আপনার ক্ষেত্রেও একই সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে বুঝে নিন—এটা শুধু আপনার একার নয়, বরং সঠিক পরিকল্পনার অভাবের ফল। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী উপায় আছে—একটি নির্দিষ্ট বাজেটিং নিয়ম মেনে চলা।
এই নিয়ম অনুযায়ী, আপনার হাতে পাওয়া মোট আয়কে তিনটি ভাগে ভাগ করতে হবে—৬৫%, ২০% এবং ১৫%।
* প্রথম ৬৫% যাবে প্রয়োজনীয় খরচে, যেমন বাড়িভাড়া, খাবার, যাতায়াত, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি।
*এরপর ২০% রাখা হবে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের জন্য, যা আপনার ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করবে।
*বাকি ১৫% ব্যবহার করতে পারবেন নিজের ইচ্ছা বা শখ পূরণের জন্য—যেমন ঘোরাঘুরি, বিনোদন বা শপিং।
এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি আপনাকে আপনার টাকার ওপর নিয়ন্ত্রণ শেখায়। আপনি আগেই ঠিক করে ফেলতে পারেন কোথায় কত খরচ হবে, ফলে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমে যায়। পাশাপাশি নিয়মিত সঞ্চয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে একটি শক্তিশালী ফান্ড তৈরি হয়, যা ভবিষ্যতে জরুরি সময়ে বা বড় কোনো লক্ষ্যে কাজে লাগবে। নিয়মটা সহজ, কিন্তু যদি নিয়মিত মেনে চলেন, তাহলে আপনার আর্থিক অবস্থায় স্পষ্ট পরিবর্তন আসবে।
All images in this article are AI-generated visuals.

